চাঁদপুর জেলার অন্তৰ্গত কচুয়া থানার ২ নং পাথৈর ইউনিয়নের গবরখোলা নামক গ্রামে, এক সমভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা জনাব শামসুল হক প্রধান ছিলেন একজন ব্যবসায়ী মা মিসেস মিলন হক একজন গৃহিনী। ৭ ভাই ও ২ বোনের মধ্যে তিনি সপ্তম।
গ্রামের বারৈয়ারা স্কুল থেকে প্রাথমিক, দাউদকান্দি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা-ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, বার্মিংহ্যাম সিটি ইউনিভার্সিটি ( সিঙ্গাপুর ব্রাঞ্চ) থেকে স্নাতক এবং ম্যাকুয়ারী ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া থেকে স্নাতোকত্তোর অর্জন করেন
ছোটবেলা থেকেই তার মধ্যে পরিলক্ষিত হয় সংস্কৃতির প্রতি উৎকর্ষতা আর নেতৃত্বের গুণাবলী, স্রোতে গা ভাসিয়ে না দিয়ে, স্রোতের বিপরীতে সত্যের পক্ষে পরিবর্তনের দৃঢ় পদক্ষেপে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ; দুরন্ত আর দুঃসাহসী এই স্বপ্নবাজ তরুণ রাজনীতিবিদ।
তিনি বলেন- আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শের একজন কর্মী; এটাই আমার পরিচয়”
- কিশোর বয়সেই সমাজ পরিবর্তনের পদক্ষেপে আধ্যাত্বিক স্বাধক “মরহুম নুরুল আমীন আতিকী সমাজকল্যাণ পরিষদ ও পাঠাগার” এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- সাহিত্য ও সংস্কৃতির উৎকর্ষে; বাংলা সাহিত্য পরিষদ, সিঙ্গাপুর এর উপদেষ্টা ছিলেন
- প্রশান্ত পাড়ে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশী সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও উৎকর্ষে প্রতিষ্ঠা করেন – “কমল লাইব্রেরি এন্ড কালচারাল রিসার্চ সেন্টার”
- অবহেলিত, নিষ্পেষিত নিগৃহীত ও মুক্তিকামী মানুষের পাশে দাঁড়াতে; অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা iRIGHT (International Rapid Invention Gear for Humiliated & Tormented) এর চেয়ারম্যান এর দায়িত্ব পালন করছেন।
- অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশীদের একমাত্র ক্লাব- “বাংলাদেশ এলিট ক্লাব, সিডনী এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।”
- সংবাদ মাধ্যম সমাজের দর্পন; “হক কথা” নামক একটি সংবাদ মাধ্যমে সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন কিছু কাল। যার মটো- “কথাই যদি বলতে হয়, হক কথা কেন নয়”
তিনি একজন তরুণ , উদ্যমী, এবং দূরদর্শী বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, প্রথম দিন থেকেই পরিবর্তন ও অগ্রগতির উদ্দীপনা নিয়ে কচুয়ার রাজনৈতিক দৃশ্যে আবির্ভূত হন। তিনি বলেন – “শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, চাই পরিবর্তনের রাজনীতি; চাই জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে সম্প্রীতিমূলক, ন্যায়বিচারের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। যেখানে নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে- মেধা, মননশীলতা, রাজনৈতিক দক্ষতা ও বিশ্বস্ততার ভিত্তিতে।”
তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শের সাথে তার মূল্যবোধকে সামঞ্জস্য রেখে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং গণতন্ত্রের জন্য নিজেকে নিয়োজিত করেন, দায়িত্ব পালন করেন কিছু ইউনিটে।
- যুগ্ম আহ্বায়ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট।
- প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম আহ্বায়ক, সিনিয়র জয়েন্ট সেক্রেটারী, এক্টিং সেক্রেটারী সিঙ্গাপুর যুবদল।
- সাংগঠিনক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – অস্ট্রেলিয়া।
পেশায় ব্যবসায়ী এই রাজনীতিবিদ তার রাজনৈতিক বুদ্ধিমত্তা, দক্ষতা, এবং সামাজিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সকলের জন্য একটি মানবিক, আদর্শিক কচুয়া গঠনে পরিবর্তনের পক্ষে অটল রয়েছেন। নেতৃত্ব এবং সমর্থনের ক্ষেত্রে তার বহুমুখী দৃষ্টিভঙ্গি বহুল ভাবে সমাদৃত।
তারেক রহমানের ৩১ দফার মূলনীতি
মুক্তিযুদ্ধ, ন্যায়বিচার আর সম্প্রীতি